বেহাল সড়কে ১৫ গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

0 ৬৩


খানা-খন্দে ভড়া সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বেহাল সড়কে পথচারীদের বেড়েছে সীমাহীন দুর্ভোগ। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটিতে অনন্তত ১৫ গ্রামের মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল এই সড়কটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের পুুটিমারী-ধনারুহা সড়কটির এমন করুন পরিস্থিতি। ভ্যান-কিক্সাতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- সাঘাটা-গাইবান্ধা সড়কের পুটিমারী হতে ধনারুহা নামক তিন রাস্তার মাথা পর্যন্ত কমপক্ষে ৬ শ’ মিটার সড়কটি এক যুগের বেশি সময় ধরে সংস্কার করা হয়নি। এলজিইডি’র এই সড়কে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহন চলাচল ও বৃষ্টিপাতের কারণে বিটুমিন নষ্ট হয়ে পাথর এবং ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কজুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

স্কুল ছাত্রী রুনা, মনিকা ও মিম জানায়- সড়কটি বেহাল হওয়ার কারণে তারা কোন পরিবহনেই যাতায়াত করতে পারে না। বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয়। শুস্ক মওসুমে ধুলা আর বর্ষা মওসুমে পানিতে কাপড় ও বইখাতা নষ্ট হয়।

ব্যবসায়ী আলাল মিয়া ও আব্দুল খালেক জানান- নিত্য প্রয়োজনে বাংলাবাজার, মুক্তিনগর বাজার, ইউনিয়ন পরিষদে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে অনন্তত ৩০ হাজার মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

মকবুল হোসেন নামের এক পথচারী জানান- সম্প্রতি তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তিনি কোন পরিবহন পাননি। তাদের মতো হাজারো রোগীকে হাসপাতালে নিতে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আরসাদ আজিজ রোকন ভোগান্তির কথা স্বীকার করে জানান- সড়কটি সংস্কারের ব্যাপারে কথা বলা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকৌশলী ছাবিউল জানান- সড়কটি এক যুগ আগে এলজিইডির অর্থায়নে পাকাকরণ করা হলেও বর্তমান পরিপত্র অনুযায়ী গ্রামীণ এই ছোট সড়কটি এলজিইডির আওতায় পড়ে না। এ কারণে এলজিইডির অর্থায়নে সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

মুক্ত প্রভাত/রাশিদুল

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.