স্বর্ণের গুড়াসহ বেনাপোলে আটক পাচারকারী
মুক্ত অনলাইন ডেস্ক
ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল চেকপোস্টে আলমগীর (৫২) নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তার কাছ থেকে এক কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের গুড়া জব্দ করা হয়।
আজ শনিবার দুপুরে আলমগীরকে যশোর আদালতে পাঠিয়েছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে থানায় একটি স্বর্ণ চোরাচালান মামলা হয়েছে। বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার জাকির হোসেন জানান, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ভারতগামী আলমগীরের ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে তল্লাশি করা হয়। এসময় পলিথিন ব্যাগে মুড়ানো অবস্থায় সোনার গুড়া পাওয়া যায়।
আলমগীরকে আটক করেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জয়তী বসু। পরে তার শরীর পরীক্ষা করে জিজ্ঞাসা করা হয়। এ সময় কাস্টমসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা এবং আব্দুল মতিনসহ একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি দলটি জব্দকৃত স্বর্ণ পরীক্ষার জন্য প্রথমে বেনাপোলের স্থানীয় একজন জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে নিয়ে আসলে তিনি জানান এগুলো স্বর্ণ নয়। পরে কাস্টমসের প্রতিনিধি দলের সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলে যশোর জেলা শহরের জুয়েলারি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির কাছে নিয়ে যান এ স্বর্ণের গুড়া। সমিতির স্বর্ণ পরীক্ষণ কমিটি প্রায় ৩ ঘণ্টা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, এ গুড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের। বাজারে যার দাম ৫৩ লাখ ১২ হাজার ৫শ’ টাকা। এই প্রথম বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পাচারের সময় গুড়া স্বর্ণ জব্দ করল চেকপোস্ট কর্তৃপক্ষ। জব্দকৃত স্বর্ণ জমা রাখা হয়েছে বেনাপোল।
এ দিকে আটক আলমগীর জানান, এ স্বর্ণের গুড়া আমার নয়। আমি একজন কাপড় ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে কলকাতা যাচ্ছিলাম। ঢাকার কল্যানপুর থেকে শ্যামলী ইনার পরিবহনে বেনাপোল আসার সময় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আমার পরিচিত মাহফুজ ইমরান নামে এক যুবক এই পলিথিনের ব্যাগ কলকাতায় নিউমার্কেটে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বলেন।
তার বিনিময়ে আমাকে বহনকারী হিসাবে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন। ব্যাগটি দেওয়ার সময় ইমরান বলেছিলেন এসব মাটির গুড়া। আসলে আমি জানতাম না এগুলো স্বর্ণ কিনা।
মুক্ত প্রভাত/রাশিদুল