‘বেশ্যা নারী’
– এ বি সানোয়ার হোসেন
নারীর শরীর দেখে তুমি পুরুষ কুকুর রুপী হও।
পুরুষ তুমি-
রাতের আধারে দেখলে’ই তারে বেশ্যা গালি দাও।
আমি বলি পুরুষ তুমি বড় কাপুরুষ,
নারীর শরীরের উঁচু-নিচু অঙ্গ তোমার যৌনতা জাগায়।
পোশাকের দোষ বলে তুমি, নারী’কে বেশ্যা গালি দাও।
চারদেয়ালের মাঝে তুমি পুরুষ, নারীর শরীর গন্ধ কুকুরের মত চেটে খাও,
বাহির হলে’ই পোশাকের দোষ দিয়ে বেশ্যা গালি দাও।
পত্নীর নগ্ন শরীর নিত্য দেখ তুমি পুরুষ, সে নারী তব বেশ্যা কেন নয়?
পুরুষ, তোমার বোন অন্যের পত্নী নিত্য বেচে অঙ্গ দাবানল,
সে নারীও তব পুরুষ, বেশ্যা কেন নয়?
পোষাকে’ই যদি নারী বেশ্যা , তব পুরুষ তোমার বোন-পত্নী বড় বেশ্যা অবকাশ নাহি রয়।
তুমি’ই হায় অধম পুরুষ-
অন্যের বোন- পত্নীর পোশাক দেখে তব বেশ্যা বয়ান দাও?
পোশাকে নারী বেশ্যা নহে পুরুষ, বেশ্যা ছায়া তমা মস্তিষ্ক নামক উইঘর টায়।
পুরুষ তোমার মস্তিষ্ক জুড়ে বেশ্যাবৃত্তি,
নারীর পোশাকে কি আসে যায়।
পুরুষ তোমার নষ্ট মস্তিষ্কের বেশ্যাবৃত্তি ঝাড় পুরুষত্ব জাগাও।
সেদিন নারী বেশ্যা নহে, তমা হতে নারী পাবে নারী পরিচয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
-মুক্ত প্রভাত