ঢাকা ১৮ আসনে মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেন সাহারা খাতুন

0 ৮৮

মোঃ ইলিয়াছ মোল্লা

একাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বিক্রির ২য় দিনে ঢাকা ১৮ আসন থেকে নৌকা মার্কার মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ।

শনিবার ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের নতুন ভবন থেকে মনোনয়ন পত্র নেন তিনি। এ সময় এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের সাথে ছিলেন- আওয়ামী ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। মনোনয়ন পত্র ক্রয়ের পর নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল করেন।

এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেন, ঢাকা ১৮ আসনের মানুষের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ। আমি এই এলাকার মানুষের খেদমত করতে চাই । আশাকরি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌর্কা মার্কায় মনোনয়ন দিবেন এবং এই এলাকার মানুষের খেদমত করার সুযোগ করে দিবেন। আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

আল্লাহর রহমতে বিপুল ভোটে আমি বিজয়ী হয়ে জননেত্রীকে এ আসন উপহার দেব ইনশাল্লাহ । রাজধানীর উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, তুরাগ, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, উত্তরখান ও দক্ষিণখান থানা এবং ভাটারা থানার আংশিক নিয়ে ঢাকা-১৮ আসন।

বর্তমানে নির্বাচনী ঢেউ লেগেছে রাজধানীর প্রবেশদ্বারখ্যাত এ আসনেও। গত দুটি নির্বাচনে এ আসনের এমপি হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন । বয়স হলেও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারই নৌকা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।

২০০৮ সালে এ আসনের বিএনপির আজিজুল বারী হেলালকে হারিয়ে এমপি হন আওয়ামী লীগের সাহারা খাতুন । দশম সংসদে বিএনএফের রহমান নাজিমকে হারিয়ে ফের এমপি হন সাহারা । আওয়ামী লীগ একক বা জোটগত যেভাবেই নির্বাচন করুক, এ আসনে প্রার্থী বদলের সম্ভাবনা নেই । সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মুন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীও নেই ।

সাহারা খাতুন সবশেষ ১/১১ সময় দলের সভাপতির বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় পাস করেন। শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা । স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, সাহারা খাতুন সুস্থ থাকতে এ আসনে আওয়ামী লীগের অন্য কারও মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ নেই। সচ্ছল ব্যক্তি হিসেবেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে দলে ।

২০০৮ সালের ভোটে জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান সাহারা। এমপি হিসেবেও নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক কাজ করেন তিনি। আগামী নির্বাচনে তার হ্যাটট্রিক জয়ের প্রত্যাশায় নেতাকর্মীরা । সাহারা খাতুন এলাকায় সক্রিয়, করছেন গণসংযোগও । যোগ দিচ্ছেন রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মসূচিতে। প্রার্থিতা নিয়ে জানতে চাইলে সাহারা খাতুন বলেন, নির্বাচনী এলাকায়ই দিন কাটে। সব সময় রাজনীতি আর এলাকার মানুষ নিয়েই আছি। নেতাকর্মী এবং এলাকার জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। সাধ্যমতো তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি ।

নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সমাধানে নানা উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, হজক্যাম্প এলাকায় বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ, বঙ্গমাতা সরকারি হাইস্কুল, উত্তরখানে সরকারি স্কুল, উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে সরকারি হাসপাতাল, পাসপোর্ট অফিস, ফায়ারব্রিগেড ও কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা প্রতিষ্ঠা করেছি।

বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক সব অবকাঠামো গড়ে তুলেছি। ঢাকা উইমেন্স কলেজের ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করেছি। মেট্রোরেলের কাজ চলছে। দল মনোনয়ন দিলে ভোটাররা অবশ্যই আমাকে ফের নির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।

মুক্ত প্রভাত/রাশিদুল

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.